সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বেদন সাত মাস ধরে নোয়াখালী হাতিয়ায় তাঁতীদলের সভাপতির বাড়িতে পালিয়ে ছিলেন। সেখানে থেকে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে দশটি ককটেলসহ তাকে গ্রেপ্তার করেছে হাতিয়া থানা পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার ৩১ জুলাই ভোরে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জোড়খালী গ্রামের তাঁতীদলের ইউনিয়ন সভাপতি সৈকতের বাড়ি থেকে তাকে আটক করেন পুলিশ।
আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার তিব নম্বর ওয়ার্ড হরিষপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁতীদল নেতা সৈকত সম্পর্কে আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিনের শ্যালক।
পুলিশ এই আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করার পর আলাউদ্দিনের স্বজনরা জানায়, সরকার পরিবর্তনের পর আলাউদ্দিন তার শশুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। এই সুযোগে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তার শ্যালক সৈকত তার কাছ থেকে কয়েক ধাপে মোটা অংকের টাকা আদায় করেন। এখন আটক হওয়ার পর তিনি কিছুই জানে না বলে এড়িয়ে যান।
এ বিষয়ে তাঁতীদল নেতা সৈকত বলেন, পুলিশের নিকট আটক হওয়া আলাউদ্দিন সম্পর্কে আমার ভগ্নিপতি। কিন্তু তিনি আমাদের বাড়িতে পালিয়ে আছেন, এটা আমি জানতাম না। এতাছাড়া টাকা নেওয়ার অভিযোগও সঠিক নয়।
